Breaking

Sunday, February 19, 2017

2/19/2017 01:37:00 PM

পেটের চর্বি ঝরাতে শুধু এই সব্জিটি খান


বাঁধাকপি বা পাতাকপি জনপ্রিয় পাতা জাতীয় একটি সবজি। এই সবজিটি ব্রাসিকেসি বা ক্রুসিফেরি গোত্রের ব্রাসিকা অলেরাসিয়া প্রজাতির উদ্ভিদ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পাতাকপি ভিটামিন 'সি' এর উৎস। এতে গ্লুটামাইন এবং অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে যার দহন নিবারক গুণাবলী আছে।
এই সবজী কাঁচা অথবা রান্না করে খাওয়া যায়। এই সবজি পেট পরিষ্কার করে চর্বি ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
শুধু তাই নয় বাঁধাকপির স্যুপ পান করে সপ্তাহে ১০ পাউন্ড ওজন ঝরিয়ে ফেলা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
যারা নিজেদের ওজন সম্পর্কে সচেতন তার প্রতিদিনের খাদ্যের তালিকায় বাঁধাকপির সালাদ রাখতে পারেন।
সাধারণত সবুজ বা সাদা বাঁধাকপি আমরা খাই, তার চাইতে বেশি স্বাস্থ্যকর হলো লালচে-বেগুনী রঙের বাঁধাকপি।
বিশেষজ্ঞরা বাঁধাকপির আর কী কী গুণের কথা বলেছেন তা নিম্নে আলোচনা করা হল :
হজমে সহায়তা করে : বাঁধাকপিতে ভিটামিন ছাড়াও আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। নিয়মিত বাঁধাকপি খেলে পেট পরিষ্কার থাকবে। এছাড়াও গ্যাস, বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যাও কমে যাবে।
কোলেস্টেরল কমায় : শরীরে কোলেস্টেরল কমায় এই সবজি। এটি খাওয়ার পর শরীরে চর্বি সার্বিকভাবে ঝড়ে যায়।
শরীরের পানি বের করে দেয় : অনেকের শরীরে পানি জমে ফুলে থাকে। কিন্তু খনিজ এবং পানিতে পূর্ণ পাতাকপি নিয়মিত খেলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি এবং টক্সিক বের হয়ে যাবে, ফলে শরীরটাও ঝরঝরে হবে।
পেট ফাঁপা রোধ করে : ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি যথেষ্ট পরিমাণে আছে বাঁধাকপিতে। এ কারণে কোনও ইনফেকশন থেকে পেট ফেঁপে থাকলে তা কমায় এই সবজিটি। তবে এর জন্য সবুজ বা সাদা বাঁধাকপির চাইতে বেগুনী বাঁধাকপিটা বেশি কার্যকর।

source:
2/19/2017 10:45:00 AM

Acne Problems



ব্রণ সমস্যায় ৭ টি জাদুকরী সমাধান ! ব্রণ
সমস্যা নেই এমন মানুষ বিরল। মুখ
ভর্তি ব্রণের যন্ত্রণায়
অনেকেই বিপদে আছেন। কতো ওষুধ
খেয়েছেন,
এটা ওটা মুখে মেখেছেন কিন্তু
কোনো কিছুতেই কোনও লাভ
হচ্ছে না। ব্রণ তো কমেই নাই
বরং বিচ্ছিরি দাগ ও গর্ত
হয়ে গেছে। খুব সহজেই ব্রণের উপদ্রব
অনেকটাই
কমিয়ে ফেলতে পারবেন ঘরোয়া ৭টি উপায়ে।
তাহলে জেনে নেয়া যাক ব্রণ সমস্যা দূর
করার
যাদুকরী পদ্ধতিগুলো। *সকাল বেলায় মধু
দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন মধুর
অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান
ত্বককে ব্রণ মুক্ত করে।
তাছাড়া মধু ত্বকের
আদ্রর্তা ধরে রাখে এবং ত্বককে অতিরিক্ত
তেল থেকে মুক্ত করে। প্রথমে হাত
ভিজিয়ে নিন। এবার হাতের
তালুতে আধা চা চামচ
মধু নিয়ে নিন। তারপর হাতের তালু ঘষে মধু
গরম করে নিন।
এরপর পুরো মুখে মধু ম্যাসাজ করে নিন ২
মিনিট ধরে।
ঠান্ডা পানি দিয়ে পুরো মুখ ধুয়ে নিন
কয়েকবার করে। *রাতে জলপাই তেল
ম্যাসাজ করুন আপনার ত্বক তৈলাক্ত
কিংবা শুষ্ক যাই হোক না কেনো প্রতিদিন
রাতে ঘুমানোর আগে জলপাই তেল
দিয়ে পরিষ্কার করলে ত্বক
মসৃণ হয় এবং ধীরে ধীরে ব্রণের উপদ্রব
কমে যায়। প্রথমে হাতের তালুতে জলপাই
তেল নিয়ে দুই হাতে ঘষে তেল
কিছুটা গরম করে নিন। এবার এই
তেলটা পুরো মুখে ভালো করে ম্যাসাজ
করে নিন নিচের
থেকে উপরের দিকে। এভাবে প্রায় ২ মিনিট
ধরে মুখ ম্যাসাজ
করুন। এভাবে ম্যাসাজ করলে ত্বক
থেকে মেকআপ
এবং ময়লা উঠে আসবে ভালো করে। এরপর
কুসুম গরম পানিতে টাওয়েল ভিজিয়ে মুখের
অতিরিক্ত তেল মুছে নিন
ভালো করে। এভাবে প্রতিদিন রাতে মুখ
পরিষ্কার
করে নিলে ব্রণ ওঠা ধীরে ধীরে কমে যাবে।
*গোলাপ জলের টোনার প্রতিদিন মুখ
ভালো করে ধুয়ে নেয়ার পরে ত্বকের
লোমকূপ বন্ধ
করার জন্য টোনার ব্যবহার করা জরুরী।
কারণ লোমকূপ
খোলা থাকলে ময়লা ঢুকে ব্রণের উপদ্রব
বৃদ্ধি করে। এই
সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গোলাপ জল বেশ
কার্যকারী টোনার
হিসেবে কাজ করে। পানিতে গোলাপ জল
মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে বরফ বানিয়ে নিন।
সকালে বাইরে যাওয়ার আগে অথবা বাসায়
ফিরে মুখ ধোয়ার পর
এই বরফ দিয়ে পুরো মুখ ঘষে নিন। ত্বক
দীর্ঘ সময় ধরে তেল
মুক্ত থাকবে এবং লোমকূপগুলো বন্ধ হবে।
বরফ হিসেবে ব্যবহার
করতে না চাইলে তুলায় গোলাপ জল
লাগিয়ে মুখটা মুছে নিলেও
টোনারের কাজ হবে। *স্ক্র্যাবার
হিসেবে বেকিং সোডা আমাদের
ত্বকে মরা চামড়া ও ব্ল্যাক হেডস জমে।
এগুলোর জন্য
ব্রণ হয় এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা হারায়।
তাই
ত্বককে মাঝে মাঝে স্ক্র্যাবিং করতে হয়।
এক্ষেত্রে বেকিং সোডা বেশ
ভালো স্ক্র্যাবার। প্রথমে বেকিং সোডা ও
সামান্য পানি মিশিয়ে নিন। এবার এই
মিশ্রণটি সারা মুখে, ঘাড়ে ও গলায়
ভালো করে ম্যাসাজ
করে নিন। এক মিনিট ম্যাসাজ করার
পরে হালকা গরম
পানি দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
সপ্তাহে তিন বার এই
পদ্ধতি অনুসরণ করলে ব্রণের উপদ্রব
কমে যাবে, ব্রণের দাগ
কমবে এবং ব্ল্যাক হেডস দূর হবে। লাইক
দেন বা নাই দেন আপনারা আমাদের
পোস্টগুলো পড়ে উপকৃত
হলেই আমাদের লিখা স্বার্থক। কারন
আপনাদের সুখী জীবনই
আমাদের কাম্য।


source:
2/19/2017 10:09:00 AM

মানসিক রোগের মাঝে একটি অন্যতম রোগ হল অনিদ্রা



মানসিক রোগের মাঝে একটি অন্যতম রোগ হল অনিদ্রা।
রাতে ঘুম না আসলে আপনার মাঝে কিছু লহ্মণ দেখা দিতে পারে।
যেমনঃ-
১. মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।
২. সাধারণ বুদ্ধি কিছুটা লোপ পায়।
৩. শরীরে দূর্বলতা ও অস্বস্থি লাগে।
৪. চোখ বসে যায় এবং চোখের নিচে কাল দাগ বা চোখ লাল দেখায়।
৫. খাবারের প্রতি আগ্রহ থাকে না।

চিকিত্সাঃ-
১. মানসিক দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে হবে।
২. অহেতুক কোন ঘুমের ওষুধ খাবেন না।
৩. ধুমপান বা নেশা জাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে থাকুন।
৪. শারীরিক দুর্বলতা থাকলে Tab. B-50 Fort বা Tab. Opsovit দিনে ৩ টা করে ১৫ দিন খাবেন।
৫. অধিক দুশ্চিন্তা থাকলে ডায়াজিপাম জাতীয় ঔষধ Tab.Orinil রাতের বেলা ১ টা খাবেন ৫থেকে ৭ দিন।
৬. রাত ১০ টার আগে খাবার খেয়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস করুন।


source:
2/19/2017 09:58:00 AM

যদি আমি জন্মনিরোধক বড়ি সেবন করছি এবং স্বামী আমার যোনীতে বীর্যস্থলন করেন তাহলে কি আমি গর্ভবতী হয়ে যাব?



নারীর
মনে প্রশ্নঃ যদি আমি জন্মনিরোধক
বড়ি সেবন
করছি এবং স্বামী আমার
যোনীতে বীর্যস্থলন
করেন
তাহলে কি আমি গর্ভবতী হয়ে যাব?
উত্তরঃ যদি জন্মনিরোধক
বড়ি সঠিক ভাবে/
সময়মত নেওয়া হয়
তাহলে গর্ভধারনের
সম্ভাবনা থাকেনা। তবে সঙ্গীর
যদি যৌনবাহীত রোগ
থাকে তা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবেনা।
মনে রাখবেন যে -
আপনি ঔষধ খাবার পর
বমি করেন, একই সাথে অন্য ঔষধ গ্রহন
করেন অথবা একদিন
জন্মনিরোধক বড়ি মিস্
যায়
তাহলে বড়ি দ্বারা কাজ
হবার সম্ভাবনা অনেক কম।
2/19/2017 09:56:00 AM

পানি পানের বিস্ময়কর উপকারিতা



পানি পানের বিস্ময়কর উপকারিতা !যেগুলো আপনি আগে জানতেননা!

প্রতিদিনই তো আমরা বেশ
কয়েক গ্লাস পানি খাই। বিশেষ
করে গরমের সময় পানি না খেলে যেন
প্রানটাই বাঁচানো দায় হয়ে পড়ে।
কিন্তু অধিকাংশ মানুষই পানি খায়
শুধুমাত্র তখনই যখন তার পানির
তৃষ্ণা পায়। কিন্তু
তৃষ্ণা পাওয়া ছাড়াও
প্রতিটি মানুষেরই পর্যাপ্ত
পরিমাণে পানি খাওয়া উচিত
যা অধিকাংশ মানুষই খায় না। আবার
অনেক সময় আবহাওয়া, পেশা ও
শারীরিক অবস্থার উপরও নির্ভর
করে কার কতটুকু পানি খাওয়া উচিত।
পানির আছে বিস্ময়কর কিছু
উপকারিতা। শুধুমাত্র পানিই
সারিয়ে তুলতে পারে শারীরিক
নানান সমস্যা। আসুন জেনে নেয়া যাক
পানির বিস্ময়কর
৭টি উপকারিতা সম্পর্কে।
মেদ কমায়
ওজন কমাতে চাইছেন?
তাহলে বেশি করে পানি খান।
পানি শরীরের মেটাবলিজম
বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে বরফ
ঠান্ডা পানি খেলে শরীর
সেটাকে গরম করার জন্য অতিরিক্ত
বেশ ক্যালরি পুড়িয়ে ফেলে এবং এই
প্রক্রিয়ায় কিছুটা মেদ কমে।
পানি পেট ভরা থাকার অনুভূতি দেয়।
তাই খাওয়ার আগে এক গ্লাস
পানি খেয়ে নিলে পেট
ভরা থাকে এবং অতিরিক্ত খাওয়া হয়
না। ফলে শরীরে অতিরিক্ত
ক্যালরি যুক্ত হয় না।
দূর্বলতা কমায়
পানি খেলে শারীরিক
দূর্বলতা কমে যায় তাৎক্ষণিক ভাবেই।
শরীরে পানির অভাব হলে শরীর বেশ
দূর্বল অনুভূত হয়। বিশেষ করে ঘামের
মাধ্যমে শরীর থেকে সব পানি বের
হয়ে শরীরকে দূর্বল করে ফেলে।
পর্যাপ্ত
পরিমাণে পানি খেলে হৃদপিন্ডের
রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া সচল হয়
এবং শরীরের ক্লান্তি অনেকটাই দূর
হয়ে যায়।
মানসিক চাপ কমায়
মস্তিষ্কের ৭০% থেকে ৮০% টিস্যুই
পানি দ্বারা পরিপূর্ন। আর তাই যখন
শরীরে পর্যাপ্ত
পরিমাণে পানি না থাকে তখন মানুষ
বিষন্নতায় ভোগে। তাই মনকে সতেজ ও
ফুরফুরে রাখতে চাইলে প্রচুর
পরিমাণে পানি পান করুন।
মাংসপেশী ভালো রাখে
পানি মাংসপেশীকে সুগঠিত করে।
এছাড়াই মাংসপেশি শক্ত
হয়ে যাওয়া, টান খাওয়া এসব
সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে হলে শরীরে পর্যাপ্ত
পানির উপস্থিতি থাকা জরুরি।
বিশেষ করে যারা নিয়মিত ব্যায়াম
করেন তাদের প্রতিদিন প্রচুর
পরিমাণে পানি খাওয়া উচিত।
ত্বক উজ্জ্বল ও সতেজ রাখে
এই গরমে অনেকেরই ত্বকের নানান রকম
সমস্যা দেখা দেয়। গরমে ত্বকের
সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এবং ত্বকের
সতেজতা ও উজ্জ্বলতা বজায়
রাখতে চাইলে প্রচুর
পরিমাণে পানি পান করুন।
এতে ত্বকের কোষ গুলোতে পর্যাপ্ত
পরিমাণে পানি পৌছায় এবং ত্বক
উজ্জ্বল ও সজীব দেখায়।